Showing posts with label Bcs Preperation. Show all posts
Showing posts with label Bcs Preperation. Show all posts
২০১৬ সালে বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের সেরা পাঁচ উদ্ভাবন
২০১৬ সালে বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের সেরা পাঁচ উদ্ভাবন
=============== =============== ==============
এ বছর বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছে। এদের মধ্যে কয়েকজন আন্তর্জাতিক পুরস্কারও পেয়েছেন। বিশ্বব্যাপী জ্যোতির্বিজ্ঞান , ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং, পদার্থবিজ্ঞান ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন এমন পাঁচ জনের কাজ সম্পর্কে এখানে দেওয়া হলো।
.
১.পাঁচটি বিশালাকার নক্ষত্র: রুবাব খান
............... ............... ............... .............
এ বছর জ্যোতির্বিজ্ঞান ে
বাংলাদেশি বিজ্ঞানী রুবাব খান গুরুত্বপূর্ণ একটি আবিষ্কার করেছেন। রুবাব ও
তাঁর দল যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট
সেন্টারে গবেষণার সময় পাঁচটি বিশালাকার ‘এটা টুইনস’ নক্ষত্রের সন্ধান পান।
হাবল স্পেস টেলিস্কোপ ও নাসার স্পিটজার স্পেস টেলিস্কোপের মাধ্যমে তাঁরা এই
আবিষ্কার করেন।
.
ওহায়ো স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কট অ্যাডামস ও ক্রিস্টোফার কোচানেক এবং ও জর্জ সনবর্নের সঙ্গে গোডার্ড-এ কাজ করার সময় রুবাব এক ধরনের অপটিক্যাল ও ইনফ্রারেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট আবিষ্কার করেন যা সম্ভাব্য ‘এটা টুইনস’-এর সন্ধান পাওয়ার জন্য কার্যকর। নাসা জানিয়েছে, রুবাব ও তাঁর দল ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে এটা টুইনস-এর খোঁজে সাতটি গ্যালাক্সি পর্যবেক্ষণ করেছেন।
.
রুবাবের গবেষণাপত্রটি ২০ ডিসেম্বর দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিক ্যাল জার্নাল লেটারসে প্রকাশিত হয়েছে।
.
২.মহাকর্ষীয় তরঙ্গ: সেলিম শাহরিয়ার
............... ............... ............... ....
যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি বিজ্ঞানী সেলিম শাহরিয়ার মহাকর্ষীয় তরঙ্গ আবিষ্কার করেছেন। আলবার্ট আইনস্টাইন তাঁর সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বে এই তরঙ্গের ধারণা দিয়েছিলেন।
.
শাহরিয়ারের নেতৃত্বে নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের
বিজ্ঞানীদের দল এক দশমিক তিন বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে দুটি কৃষ্ণগহ্বরের
সংঘর্ষে মহাকর্ষীয় তরঙ্গ উৎপন্ন হওয়ার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেন।
(শূন্যস্থানে আলো এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোকবর্ষ বলা হয়
যা নয় দশমিক ৪৬ ট্রিলিয়ন কিলোমিটারের সমান।)
.
৩.মহাকর্ষীয় তরঙ্গ ও মহাশূন্যের ঢেউ: দীপঙ্কর তালুকদার
............... ............... ............... ............... ..........
বিজ্ঞানী দীপঙ্কর তালুকদার মহাকর্ষীয় তরঙ্গ আবিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে বাংলাদেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের এই সাবেক ছাত্র ও তাঁর দল যুক্তরাষ্ট্রে একজোড়া
বিশালাকার লেজার ডিটেক্টর দিয়ে এই আবিষ্কার করেন। লেজার ডিটেক্টর দুটির
একটি ছিলো লুইজিয়ানায় ও অপরটি ছিলো ওয়াশিংটনে। লেজার ইন্টারফেরোমিটার গ্র্যাভিটেশনাল ওয়েভ অবজারভেটরিতে তাঁরা দুইটি কৃষ্ণগহ্বরের সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সনাক্ত করেন।
===============
এ বছর বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছে। এদের মধ্যে কয়েকজন আন্তর্জাতিক পুরস্কারও পেয়েছেন। বিশ্বব্যাপী জ্যোতির্বিজ্ঞান
.
১.পাঁচটি বিশালাকার নক্ষত্র: রুবাব খান
...............
এ বছর জ্যোতির্বিজ্ঞান
.
ওহায়ো স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কট অ্যাডামস ও ক্রিস্টোফার কোচানেক এবং ও জর্জ সনবর্নের সঙ্গে গোডার্ড-এ কাজ করার সময় রুবাব এক ধরনের অপটিক্যাল ও ইনফ্রারেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট আবিষ্কার করেন যা সম্ভাব্য ‘এটা টুইনস’-এর সন্ধান পাওয়ার জন্য কার্যকর। নাসা জানিয়েছে, রুবাব ও তাঁর দল ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে এটা টুইনস-এর খোঁজে সাতটি গ্যালাক্সি পর্যবেক্ষণ করেছেন।
.
রুবাবের গবেষণাপত্রটি ২০ ডিসেম্বর দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিক
.
২.মহাকর্ষীয় তরঙ্গ: সেলিম শাহরিয়ার
...............
যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি বিজ্ঞানী সেলিম শাহরিয়ার মহাকর্ষীয় তরঙ্গ আবিষ্কার করেছেন। আলবার্ট আইনস্টাইন তাঁর সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্বে এই তরঙ্গের ধারণা দিয়েছিলেন।
.
শাহরিয়ারের নেতৃত্বে নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের
.
৩.মহাকর্ষীয় তরঙ্গ ও মহাশূন্যের ঢেউ: দীপঙ্কর তালুকদার
...............
বিজ্ঞানী দীপঙ্কর তালুকদার মহাকর্ষীয় তরঙ্গ আবিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে বাংলাদেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
